বিড়ম্বনায় পড়েছেন চিত্রনায়িকা পরীমনি

চ্যানেল নিউজ বিডি ডটকম :: ভক্তদের নিয়ে শোবিজ অঙ্গনের তারকাদের হরহামেশাই নানারকম বিড়ম্বনায় পড়তে হয়, এটা নতুন কিছু নয়। গতকাল বৃহস্পতিবার ভোরে ঢালিউড অভিনেত্রী পরীমনির বাসায় এক জোড়া পায়রা ও একটি ফুলের তোড়া দিয়ে যায় অজ্ঞাত এক লোক। আর এ নিয়ে বেশ বিড়ম্বনায় পড়েছেন এই চিত্রনায়িকা।

ওই ঘটনার বর্ণনা দিয়ে পরীমনি বলেন, গতকাল বৃহস্পতিবার ভোর ৪টার সময় রিসিপশন থেকে ইন্টারকমে কল আসল। রিসিভারটা আমিই তুললাম। আর এই সময়ে ইন্টারকমে খুব একটা কল আসে না। ফোন রিসিভ করার পর জানানো হয়, আপনার জন্য কবুতর আর ফুল দিয়ে গেছে। এগুলো উপরে পাঠিয়ে দিব কিনা?

পরীমনি বলেন, এমন কথা শোনে আমি খুব অবাক হয়ে যাই। তারপর রিসিপশনিস্টকে একে একে চারবার জিজ্ঞেস করলাম, কে দিলো কখন দিলো কেন দিলো? জবাবে সে বলল, আপা সে ভদ্র লোক গেটেই আছেন। আমি আর ফোনে কিছু না বলে দৌঁড়ে বারান্দায় যাই। উঁকি দিয়ে বললাম, কই কে আসছে? দাঁড়াতে বলো আর গেটে তালা দিয়ে দাও। আমি আসছি।

বিষয়টি দেখার জন্য কেয়ারটেকারকে পাঠাই। ও যাওয়ার পর লোকটি আমার ভক্ত বলে পরিচয় দেয়। তারপর লোকটি চলে যেতে চায়। আর কেয়ারটেকারও কি বুঝে যে লোকটিকে বিদায় করে দেয়!

লোকটির নাম পরিচয় কিছু না জেনে কেন তাকে যেতে দিলে, এ নিয়ে কেয়ারটেকারকে বকাবকি করি! পরে কেয়ার টেকার বলে, আপনার মেজাজ খারাপ দেখলাম। লোকটি থাকলে যদি মাইর দেন এই জন্য যেতে দিছি। আর লোকটি ভদ্র লোকই মনে হলো। আর তার বয়সও একদম কম।

পরীমনি আরো বলেন, কি আর করা, তারপর বাসার সিসি ক্যামেরার ফুটেজ চেক করলাম। ভিডিওতে দেখলাম, চিকন-চাকন একটি লোক গাড়ির ড্রাইভিং সিট থেকে নামল। তার পাশের সিট থেকে আরো একটি পিচ্ছি ছেলে নামল। দুইজন মিলে ব্যাকডালা থেকে একটি খাঁচা নামাল, তারপর ড্রাইভিং সিটের পাশে রাখা একটা দোলন চাঁপার ফুলের তোড়া নামাল। একটি প্যাকেটে পাখির খাবারও ছিল। এসবই লিফটের সামনে গুছিয়ে রাখল। তারপর চুল ঠিক করল। এরপর পার্কিংয়ে রাখা আমার গাড়ির সামনে দাঁড়াল আর ছোট ছেলেটি ছবি তুলে দিল।

তিনি বলেন, একটা জিনিস বুঝি না সে আমার কেমন ভক্ত যে, আমি নিচে নামব জেনেও সে চলে গেল এবং তার নামও বলল না। আমার ভক্তরা আমার সঙ্গে এমন করে না বা করতে পারে না। এমন অদ্ভুত ভক্তের উপহার গ্রহণ করা আমার কাছে আসলেই আনন্দের না। তাই সেই ভক্তের কাছে অনুরোধ করব তার পরিচয় দেয়ার জন্য। আর না হলে সে আামার ভক্ত এটা মানব না বরং তার গাড়ির নম্বরটা থানায় দিতে বাধ্য হব। আমি চাই না অপ্রত্যাশিত কিছু হোক।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     এ জাতীয় আরো খবর..

ফেসবুকে আমরা...